এইচএসসি ভর্তি রেজাল্টঃ মেধা তালিকা, মাইগ্রেশন, নিশ্চায়ণ (২০২০)

Post Edition:

এইচএসসি ভর্তি ফলাফল ২০২০। একাদশ শ্রেণীর তৃতীয় মেধা তালিকা আজ প্রকাশিত হবে। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয় একাদশ শ্রেণীর ভর্তি রেজাল্ট (৩য় মেধা তালিকা ও মাইগ্রেশন) এর ফলাফল এইচএসসি ভর্তি ওয়েবসাইট – xiclassadmission.gov.bd এ এবং প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। কলেজে ভর্তি সংক্রাস্ত সকল কার্যক্রমের সময়সূচি, এইচএসসি ভর্তি নির্দেশিকা, আবেদনের নিয়মাবলী এবং ফলাফল নির্ধারিত ওয়েবসাইট- xiclassadmission.gov.bd এবং স্ব স্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও জানা যাবে।

২০২০ সালের একাদশ শ্রেণীর ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। 

এসএমএস এ আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল করার পেছনে আবেদন প্রক্রিয়ার জটিলতা, ব্যয় হ্রাস এবং ফিরতি এসএমএস না আসা সহ অন্যান্য অনেক বিষয়াদি বিবেচনা করা হয়েছে। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রি দিপু মনি এর সভাপতিত্বে শিক্ষা মন্ত্রকের বৈঠকে এ বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।

বাংলাদেশ আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সকল কলেজ/মাদ্রাসা/কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করার সময়সূচী প্রদান করেছে।  

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, আবেদনকারী অনলাইনের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ৫টি কলেজ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের জন্য আবেদন করতে পারবে। এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণীর ভর্তি ফলাফল প্রকাশ করা হবে। 

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির সময়সূচী: 

ইভেন্টতারিখ
ভর্তির আবদেন শুরু৯ আগস্ট ২০২০
ভর্তির আবেদন শেষ২০ আগস্ট ২০২০
ভর্তি রেজাল্ট (১ম মেধা তালিকা )২৫ আগস্ট ২০২০
নির্বাচিত শিক্ষার্থীর নিশ্চায়ন ২৬ আগস্ট ২০২০- ৩০ আগস্ট ২০২০
২য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহন ৩১ আগস্ট ২০২০- ২ সেপ্টেম্বর ২০২০
পছন্দক্রম অনুযায়ী ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
ভর্তি রেজাল্ট (২য় মেধা তালিকা )৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
নির্বাচিত শিক্ষার্থীর নিশ্চায়ন ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০- ৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
৩য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহন ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০- ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০
ভর্তি ফলাফল (৩য় মেধা তালিকা)১০ সেপ্টেম্বর ২০২০
নির্বাচিত শিক্ষার্থীর নিশ্চায়ন১১ সেপ্টেম্বর ২০২০- ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০
চূড়ান্ত ভর্তি ফলাফল প্রকাশ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
কলেজে ভর্তি১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০- ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তিঃ

 শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির নীতিমালা অনুসরণ করে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য আবেদন করার জন্য আহবান জানানো হচ্ছে।

ভর্তির যোগ্যতা ও গ্রুপ নির্বাচন:  

  • এসএসসি পাসের সন- ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০
  • বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে- ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ 

ভর্তির জন্য একজন প্রার্থী নিম্নরূপ-এ গ্রুপ নির্বাচন করতে পারবে: 

সাধারণ শিক্ষা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:

পূর্ববতী গ্রুপযে গ্রুপে আবেদন করতে পারবে (যে কোন একটি)
বিজ্ঞানবিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা
মানবিকমানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা 
ব্যবসায় শিক্ষাব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক

মাদ্রাসা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:

পূর্ববতী গ্রুপসাধারণ শিক্ষা বোর্ডমাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড
বিজ্ঞানবিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষাবিজ্ঞান, সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপ
সাধারণ গ্রুপমানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষাসাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপ
মুজাব্বিদ গ্রুপব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিকমুজাব্বিদ ও সাধারণ গ্রুপ
দাখিল (ভোকেশনাল) গ্রুপসাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপ
  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:
এসএসসি (ভোক)/দাখিল (ভোক)সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ
  • উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বয়সসীমা ২০১৯ এর ১লা জানুয়ারী অনুর্ধ ২২ বছর হতে হবে, অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের জম্ম তারিখ ১৯৯৭ এর ১লা জানুয়ারী বা তার পরে হতে হবে।
  • যে কোন বিভাগ (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী গার্হস্থ্য অর্থনীতি ও সংগীত গ্রুপ এর যে কোনো একটি।

একাদশ শ্রেণীর ভর্তির জন্য আবেদন পদ্ধতি: 

ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ/মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবেদনের জন্য ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) আবেদন ফি প্রযোজ্য হবে। 

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবেদনের জন্য টেলিটক/বিকাশ/ শিওরক্যাশ/গ্রামীণফোন  এর মাধ্যমে ১৫০/- টাকা প্রদান করতে হবে। 

ইন্টারনেট সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা যাবে তবে- একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিফট/ভার্সন/গ্রুপে আবেদন করা যাবে এবং সর্বনিম্ন ৫টি কলেজে আবেদন করতেই হবে। 

প্রথমবার আবেদনের সময় শিক্ষার্থীকে একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেটি শিক্ষার্থীর যোগাযোগের নাম্বার হিসেবে বিবেচিত হবে। 

যোগাযোগের নাম্বারটি শিক্ষার্থীর জন্য অতীব গুরত্বপূর্ণ কেননা পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর সকল যোগাযোগ ও আবেদনের জন্য কিংবা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আবেদন সংশোধনের জন্য এই মোবাই্ল নাম্বারটির প্রয়োজন হবে।একাধিক শিক্ষার্থীর আবেদনে একই মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করা যাবে না ।

ফলাফল প্রদানের পূর্বে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (১২ মে থেকে ৫ই জুন, ২০১৯) ইন্টারনেটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) বার কলেজের পছন্দক্রম ও কলেজ পরিবর্তন করা যাবে। 

অনলাইনের মাধ্যমে আবদেন করার পদ্ধতি: 

ইন্টারনেটে আবেদনের পূর্বে শিক্ষার্থীকে টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/গ্রামীণফোন এর মাধ্যমে নিম্নবর্ণিত ধাপসমূহ অনুসরণপুর্বক আবেদন ফি প্রদান করতে হবে। প্রার্থীকে তার এসএসসি/সমমানের পরীক্ষার বোর্ড, রোল নম্বর এবং পাসের সন ব্যবহার করে ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) ফি প্রদান করতে হবে।

টেলিটকের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতিঃ

টেলিটকের প্রিপেইড মোবাইল ব্যবহার করতে হবে। মোবাইলের মেসেজ অপশন  এ গিয়ে নিম্নলিখিত নিয়মে আবেদন ফি প্রদান করতে হবেঃ

প্রথম এসএমএসঃ 

CAD <space> WEB <space> Board <space> Roll Number <space> Passing Year লিখে ১৬২২২ নাম্বার এ এসএমএসটি পাঠিয়ে দিতে হবে। 

উপরের Board এর স্থলে শিক্ষার্থীর নিজের বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর/কোড, Roll Number  এর স্থলে শিক্ষার্থীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নাম্বার এবং Passing Year  এর স্থলে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার পাসের সাল  দিতে হবে।

উদাহরণ:  CAD WEB DHA 445566 2019 and Send it to 16222.

উপরে বর্ণিত এসএমএস টি সফলভাবে সম্পন্ন হলে আবেদনকারীর নাম, শিক্ষা বোর্ড, পাসের সন এবং রোল নম্বরসহ ফিরতি এসএমএস-এ আবেদন ফি বাবদ ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) কেটে নেওয়া হবে এবং তা জানিয়ে একটি পিন কোড প্রদান করা হবে।

দ্বিতীয় এসএমএসঃ 

CAD <space> YES <space> Pin Number <space> Contact Number লিখে ১৬২২২ নাম্বার এ এসএমএসটি পাঠিয়ে দিতে হবে। 

উপরের PIN এর স্থলে প্রথম এসএমএস এ প্রাপ্ত পিন নম্বর, Contact Number এর স্থলে নিজের মোবাইল নম্বর দিতে হবে।

উদাহরণঃ CAD YES 1245678 017*******

শিওরক্যাশের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি:

শিওরক্যাশ USSD এর মাধ্যমে ফি প্রদান করার নিয়মঃ

ধাপ-১: শিউরক্যাশ এর মেনু পেতে *৪৯৫# ডায়াল করতে হবে
ধাপ-২: পেমেন্ট-অপশন নির্বাচন করতে হবে।
ধাপ-৩: পেমেন্ট একাউন্ট অথবা কিওয়ার্ড: CAD লিখতে হবে।
ধাপ-৪: স্টুডেন্ট আইডি- <বোর্ড কোড> < পাশের সন > < রোল নম্বর > ।
ধাপ-৫: যোগাযোগের মোবাইল নম্বর- লিখতে হবে।
ধাপ-৬: স্টুডেন্ট এর নাম সহ ১৫০ টাকা প্রদর্শিত হবে এবং মোবাইল একাউন্ট এর পিন নম্বর প্রদান করলে পেমেন্ট সফল এসএমএস প্রদর্শিত হবে।

শিওরক্যাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে ফি প্রদান করার নিয়মঃ

শিওরক্যাশ এর অ্যাপ ডাউনলোড করুন

ধাপ-১: শিওরক্যাশ অ্যাপ এ লগ ইন করে- পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন
ধাপ-২: পরবর্তি ধাপে যেতে CAD লিখে পরবর্তী অপশন সিলেক্ট করুন
ধাপ-৩: স্টুডেন্ট আইডি লিখতে হবে: <র্বোড কোড><পাসের সন><বোর্ডের রোল নম্বর>
ধাপ-৪: স্টুডেন্টের মোবাইল নাম্বার লিখতে হবে(মোবাইল স্ক্রিনে স্টুডেন্ট এর নাম সহ ১৫০ টাকা প্রদর্শিত হবে)
ধাপ-৫: পরবর্তী/Next বাটন সিলেক্ট করুন
ধাপ-৬: পেমেন্ট নিশ্চিত করতে কনফামের্শন বাটন সিলেক্ট করুন।

পেমেন্ট  সফল হলে Txn ID সহ Successful প্রদর্শিত হবে।

বিকাশের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতিঃ

ধাপ-১: বিকাশ অ্যাপ মেন্যু থেকে পে বিল সিলেক্ট করুন
ধাপ-২: বিলার তালিকা থেকে  ‘XI Class Admission’ সিলেক্ট করুন।

ধাপ-৩: পেমেন্ট কোড দিন। এর পর কন্ট্যাক্ট নাম্বার দিন। পরের থাপে যেতে ARROW বাটনটিতে ট্যাপ করুন। পেমেন্ট কোড- <বোর্ড কোড> < পাশের সন > < রোল নম্বর > ।

ধাপ-৪: পেমেন্ট এর সার-সংক্ষেপ যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে ‘ARROW’ বাটনটিতে ট্যাপ করুন।

ধাপ-৫: পরবতী ধাপে যেতে পিন নাম্বার দিন।

ধাপ-৬: পে বিল সম্পন্ন করতে নিচের বাটনটি ট্যাপ করে ধরে রাখুন। একটু অপেক্ষা করুন, পে বিল সম্পন্ন হচ্ছে। 

ধাপ-৭: পেমেন্ট কনফামের্শন এর সার-সংক্ষেপ দেখে নিন।

বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর/কোড:

ঢাকা বোর্ডের জন্য- DHA 

কুমিল্লা বোর্ডের জন্য- COM

রাজশাহী বোর্ডের জন্য- RAJ

যশোর বোর্ডের জন্য – JES

চট্টগ্রাম বোর্ডের জন্য- CHI

বরিশাল বোর্ডের জন্য- BAR

সিলেট বোর্ডের জন্য- SYL

দিনাজপুর বোর্ডের জন্য- DIN

ময়মনসিংহ বোর্ডের জন্য- MYM

মাদ্রাসা বোর্ডের জন্য- MAD

বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় – BOU লিখতে হবে। 

এখানে উল্লেখ্য যে, ১২ মে হতে ২৩ মে, ২০১৯ রাত ১১:৫৯ মিঃ পর্যন্ত ইন্টারনেট-এ আবেদন করা যাবে।

অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন ফরম পূরণঃ 

(ক) নিম্নলিখিত নিয়মে ইন্টারনেটে আবেদন করতে হবে।

  • টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/গ্রামীণফোন এর আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) জমা দেয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত ওয়েবসাইট-এ (XICLASSADMISSION.GOV.BD) যেয়ে “APPLY ONLINE”- বাটন এ ক্লিক করতে হবে; 
  • প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে।
  •  আবেদনকারীর দেয়া তথ্য সঠিক হলে তিনি তার ব্যক্তিগত তথ্য  এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ দেখতে পাবেন।
  • এরপর শিক্ষার্থীর যোগাযোগের নম্বর (ফি প্রদানের সময় প্রদত্ত মোবাইল নম্বর) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা দিতে হবে।
  • অতঃপর তাঁকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রুপ, শিফট এবং ভার্সন সিলেক্ট করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০টি (ইন্টারনেট এবং এসএমএস উভয় পদ্ধতি মিলে) সর্বমোট কলেজ/মাদরাসা সিলেক্ট করতে পারবে। এই ফরমে আবেদনকারী তাঁর সকল আবেদনের পছন্দক্রমও নির্ধারণ করতে পারবে।
  • এরপর আবেদনকারী “PREVIEW APPLICATION” বাটন-এ ক্লিক করলে তার আবেদনকৃত কলেজসমূহের তথ্য ও পছন্দক্রম দেখতে পারবেন। তবে এসএমএস ৫টির বেশী আবেদন করতে পারবে না।
  • PREVIEW দেখানো তথ্যসমূহ সঠিক থাকলে আবেদনকারী “SUBMIT” বাটন-এ ক্লিক করবেন।

সিকিউরিটি কোডঃ 

আবেদনটি সফলভাবে সাবমিট করা হলে আবেদনকারী তাঁর প্রদত্ত মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ এসএমএস পাবেন এবং যাতে একটি সিকিউরিটি কোড (SECURITY CODE) থাকবে। 

এই সিকিউরিটি কোড টি গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে, যা পরবর্তীতে কলেজের ভর্তি আবেদন সংশোধন ও ভর্তি সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতে হবে।

আবেদনকারী চাইলে তাঁর আবেদনসমূহের তথ্যাদিসহ উক্ত ফরমটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট (PRINT) নিতে পারবেন।

সিকিউরিটি কোড পুনরুদ্ধারঃ 

একাদশ শ্রেণীর ভর্তি কার্যক্রমে ভর্তির আবেদন থেকে শুরু করে কলেজ পরিবর্তন, পছন্দক্রম পরিবর্তন, ফলাফল এবং কলেজে ভর্তি পর্যন্ত সিকিউরিটি কোর্ড অতীব জরুরী একটি বিষয়। কিন্তু যদি কোন কারণে সিকিউরিটি কোর্ডটি হারিয়ে যায়  তাহলে নিম্নোক্ত উপায়ে সিকিউরিটি কোর্ডটি পুনরুদ্ধার করা যাবে। 

ট্রানজেকশন আইডিঃ 

উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দেয়ার পরও শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট/জিপিএ দেখতে না পেলে, তাঁকে আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) জমা দেয়ার ট্রানজেকশন আইডি টি এন্ট্রি দিতে হবে এবং ফি প্রদানের জন্য তিনি যেই অপারেটর (অর্থাৎ টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/ গ্রামীণফোন) ব্যবহার করেছে তা সিলেক্ট করতে হবে। 

পরবর্তীতে ৩০ মিনিট পর ইন্টারনেটে আবেদন করার জন্য পূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে অনুসরণ করতে হবে।

ট্রানজেকশন আইডি পুনরুদ্ধারঃ 

কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) : 

বিভিন্ন কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী তথ্য-ছকের নির্দিষ্ট স্থানে তাঁর জন্য প্রযোজ্য কোটা সিলেক্ট  করবেন। 

কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত মূল সনদ পত্র থাকতে হবে এবং পরবর্তীতে কলেজ/মাদ্রাসা কর্তৃক যাচাইকরণ হবে বিধায় কোটার অপশন (OPTION) দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। 

একজন প্রার্থী একাধিক কোটার যোগ্য হলে- তিনি সেই অনুযায়ী একাধিক অপশন দিতে পারবেন। 

কোটাসমূহ হল- 

  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য কোটা (FQ), 
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধঃস্তন দপ্তরসমূহ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্যদের সন্তানদের কোটা (EQ), 
  • বিশেষ কোটা (SQ) এবং
  • প্রবাসীদের সন্তানদের (পিতা/মাতা বিদেশে কর্মরত) কোটা (PQ)। 

উল্লেখ্য যে, বিকেএসপি, বিভাগীয় ও জেলা কোটার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবেচিত হবেন এবং এজন্যে শিক্ষার্থীকে কোন ইনপুট দিতে হবে না।

যে সকল প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কোটা (SQ) অনুমোদিত আছে- সে সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সন্তানগণ এই বিশেষ কোটার জন্য আবেদন করতে পারবেন। 

উল্লেখ্য যে, বিশেষ কোটায় আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে, আবেদন চলাকালীন সময়ের মধ্যে (২৩ মে ) ঐ কোটার স্বপক্ষে প্রামান্য কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে দাখিল করতে হবে। 

এই সময়ের মধ্যে কলেজসমূহ ইন্টারনেটে বিশেষ কোটা আবেদনকারীদের আবেদন নিশ্চিত করবেন।

পছন্দক্রম পরিবর্তনঃ

একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) বার ইন্টারনেটে ঢুকে কলেজের পছন্দক্রম এবং কলেজ পরিবর্তন করতে পারবে। 

পছন্দক্রম পরিবর্তন করার জন্য ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীর তথ্য ও সিকিউরিটি কোর্ড দিয়ে লগইন করে কলেজের আবেদন সংশোধন, ক্রমমান পরিবর্তন ও কলেজ পরিবর্তন করতে পারবে। 

উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে:

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাসকৃত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর একই বলে বিবেচিত হবে। এ ক্ষেত্রে রোল নম্বরে অন্তর্ভূক্ত ’-’ চিহ্নটি উপেক্ষা করতে হবে।

এখানে উল্লেখ্য যে, ২৩ মে ২০১৯ তারিখ রাত ১১:৫৯ মিঃ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদনকারীদের প্রতি নির্দেশনাঃ

যে সমস্ত শিক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন, তাদেরকেও ১২ মে থেকে ২৩ মে ২০১৯ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চাহিদাকৃত ন্যূন্যতম এসএসসি রেজাল্ট ও অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে অবশ্যই ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে। 

কোন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তিত হওয়ার কারণে, পূর্বে আবেদনকৃত প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ এর শর্তপূরণ হলে- ঐ সকল নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ০৩ জুন ২০১৯ থেকে ০৪ জুন ২০১৯ তারিখ রাত ১১:৫৯ মিঃ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে, পূর্বের পছন্দের কলেজ বাতিল করতে পারবে এবং পছন্দক্রমও পরিবর্তন করতে পারবে। 

তবে এই সুবিধার আওতায় এসএমএস-এর মাধ্যমে করা আবেদনসমূহের ক্ষেত্রে পছন্দক্রম পরিবর্তন করা গেলেও, কলেজ পরিবর্তন করা যাবে না।

আবেদন যাচাই-বাছাই ও আপত্তি নিষ্পত্তিকরণঃ

ভর্তির জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল তথ্য দেয়া হয়ে থাকলে বা ভুয়া আবেদন করা হয়ে থাকলে ২৬-০৫-২০১৯ তারিখের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডকে অবহিত করলে কর্তৃপক্ষ নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে:

  • আপত্তি নিষ্পত্তিকরণ সাপেক্ষে আবেদন সংশোধন।
  • ভুয়া (FAKE) আবেদন বাতিল/সংশোধন।

মেধামান নির্ধারণঃ

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০২০ অনুসরণপূর্বক ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও মেধামান নির্ণয় করা হবে। 

আবেদনকারীদের বিভিন্ন কলেজ/মাদ্রাসা /সমমানের প্রতিষ্ঠানে আবেদন ঐ প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট গ্রুপ/শিফট/ ভার্সন, আসন সংখ্যা, পছন্দক্রম এর ভিত্তিতে

এবং নিম্নবর্ণিত নিয়মানুযায়ী মেধামান নির্ধারণপূর্বক একজন আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে শুধুমাত্র একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত করা হবে।

  • এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-র ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
  • সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
  •  বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করা হবে। 
  • তাছাড়া বিভিন্ন সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।
  • বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের জন্য পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/ জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
  • বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে উপরের ক, খ এবং গ -এর বিধান সত্তে¡ও যদি প্রার্থী বাছাইকল্পে উদ্ভুত জটিলতা নিরসন না হয়, তবে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
  • মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নিম্পত্তির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
  • এক গ্রুপের প্রার্থী অন্য গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএ একই হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইকল্পে উদ্ভুত জটিলতা নিরসন না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।

ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, প্রকাশ এবং মাইগ্রেশনঃ

মোট ৩ (তিন) টি পর্যায়ে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। প্রাথমিক নিশ্চায়ন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ২(দুই) বার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া চালনা করা হবে অর্থাৎ প্রাথমিক নিশ্চায়নের পরও সর্বোচ্চ ২(দুই) বার একজন শিক্ষার্থীর কলেজ নির্বাচন পরিবর্তন হতে পারে। 

প্রতি পর্যায়ে পছন্দক্রমানুযায়ী অটোমাইগ্রেশন হবে এবং মাইগ্রেশন সর্বদাই পছন্দক্রমানুসারে উপরের দিকে যাবে। একজন শিক্ষার্থী তার আবেদনের সময় দেয়া কলেজ পছন্দক্রম ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল, কোটা ইত্যাদির ভিত্তিতে শুধুমাত্র ১টি কলেজেই সিলেকশন পাবে।

নির্বাচিত শিক্ষার্থী নিজেই অনলাইনে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ ১৯৫/- টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়ন করবেন। 

উল্লেখ্য যে, প্রত্যেক নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ১৯৫/- টাকা জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থীর মনোনয়ন ও আবেদন বাতিল হবে। এমন শিক্ষার্থী ইচ্ছা করলে পরবর্তী পর্যায়ের জন্য আবেদন ফি জমা দিয়ে নতুন আবেদন করতে পারবে।

যে সকল শিক্ষার্থী আবেদনকৃত কোন কলেজেই সিলেকশন পাবে না তারা পুনরায় আবেদন ফি ব্যতীত এবং যারা ইতিপূর্বে কোন কলেজেই আবেদন করে নাই তারা আবেদন ফি জমা সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।

ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের পর নির্দিষ্ট তারিখে শিক্ষার্থীদের এসএমএস-এর মাধ্যমে ফলাফল জানানো হবে এবং একই সাথে এসএমএস-এ একটি গোপনীয় সিকিউরিটি কোড  প্রদান করা হবে। 

এই সিকিউরিটি কোডটি চুড়ান্ত ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।

তাছাড়াও শিক্ষার্থীরা ভর্তির ওয়েবসাইট XICLASSADMISSION.GOV.BD থেকে ভর্তির বিস্তারিত ফলাফল জানতে পারবে।

ভর্তি নিশ্চায়ণঃ

কলেজে ভর্তিঃ

নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ভর্তি ওয়েবসাইট XICLASSADMISSION.GOV.BD দেয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ডাউনলোড করে তা নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন করবেন। 

অতঃপর ভর্তির জন্য নির্ধারিত তারিখে শিক্ষার্থী কলেজে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদিত ফি জমা দিয়ে ভর্তি হবে এবং কলেজ শিক্ষার্থীর সিকিউরিটি কোড ব্যবহার করে ভর্তির চূড়ান্ত নিশ্চায়ন করবে। 

একাদশ শ্রেনী ভর্তির কিছু প্রশ্ন-উত্তরঃ 

Share it with Friends
Tweet Now

মন্তব্য করুন